- চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৬ দফা দাবিতে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার সমাবেশ ও র্যালি
- নওগাঁয় রাতের আঁধারে ৪.৫ বিঘা জমির ফসল নষ্ট, দিশেহারা কৃষক
- যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ভিসা নীতিতে বাতিল ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসএসসিতে অকৃতকার্য হয়ে ছাত্রীর আত্মহত্যা
- এসএসসিতে সাতক্ষীরার ৪ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল, নেপথ্যে শিক্ষক সংকট
- ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন লক্ষ্মীপুরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
- খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
- বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
- ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কসহ গ্রেপ্তার ৮
- সংকটাপন্ন ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির দায়িত্ব ছাড়লেন আদিল চৌধুরী
- ট্রাইব্যুনালের আদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার মেজর (অব.) মোজাফফর
- পৌনে দুই ঘণ্টা পর ধরা পড়ল ভুল
- রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ঠিক রেখেছে জামায়াত : মাহমুদা মিতু
- ঈদের ছুটি শেষে কাল স্বাভাবিক হচ্ছে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার
- পিকআপ-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলের মৃত্যু
- রাজবাড়ীর পথে আগুনরাঙা কৃষ্ণচূড়া
- দল বদল করছি না,পল্টি দেওয়ার অভ্যাস আমার নেই: সাকিব
ওপেকের উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্তে বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম
ওপেক ও সহযোগী দেশগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস সোমবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে।
সোমবার সকালে এ প্রতিবেদন লেখার সময় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪২ সেন্ট বা ০.৫৮ শতাংশ কমে ৭১.৭০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২৭ সেন্ট বা ০.৩৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৮.৪২ ডলারে দাঁড়ায়।
বিশ্লেষকদের মতে, ওপেক ও মিত্র দেশগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানি পুনরুদ্ধার হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবেই তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
রোববার ওপেক, রাশিয়াসহ মিত্র দেশগুলো আগস্ট থেকে দৈনিক তেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা আরও ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে জুন ও জুলাই মাসেও একই পরিমাণ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের কারণে উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। যুদ্ধের সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সৌদি আরব, কুয়েত ও ইরাকসহ কয়েকটি প্রধান উৎপাদক দেশের রপ্তানি সীমিত হয়ে পড়ে।
বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান আইজির বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাজারের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে অনেক দেশ এখনো নির্ধারিত উৎপাদন কোটা পূরণ করতে পারেনি, ফলে ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রার তাৎক্ষণিক প্রভাব সীমিত।
রয়টার্সের এক জরিপে দেখা গেছে, জুন মাসে ওপেকভুক্ত দেশগুলোর তেল উৎপাদন আগের মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল রপ্তানিও দৈনিক ১ কোটি ব্যারেল অতিক্রম করেছে। তবে যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় রপ্তানি এখনো প্রায় ৪০ শতাংশ কম রয়েছে।
অন্যদিকে, শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় কয়েকটি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জুন মাসে রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দরগুলো থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। জুলাই মাসেও এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।